এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ছবি পোস্ট করেছে দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত ইরান দূতাবাস। এতে দেখা যায়, গাড়ির স্টিয়ারিংয়ের পাশের ড্যাশবোর্ডে যাত্রীর আসনের সামনে শিশুদের গোলাপি রঙের খেলনা স্টিয়ারিং হুইল রাখা। সাংবাদিকদের কাছে ট্রাম্প ধারণা দিয়েছিলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পাশাপাশি তিনিও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেন। ছবিটির মাধ্যমে মূলত ট্রাম্পের এই ধারণাকেই উপহাস করা হয়েছে।
ইসরায়েলের দুজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের এই উদ্যোগের বিষয়ে আলোচনা করতে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার বিষয়ে পাকিস্তানের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহেই ইসলামাবাদে সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে পারে।
ইরানে বাড়ছে আইআরজিসির প্রভাব
ইরানে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) প্রভাবই ক্রমে বাড়ছে। এর একটি বড় ইঙ্গিত হলো দেশটির শীর্ষ নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান হিসেবে এই এলিট ফোর্সের একজন সাবেক কমান্ডারকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি সরাসরি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির কাছে দায়বদ্ধ।
গত সপ্তাহে ইসরায়েলি হামলায় নিহত আলী লারিজানির স্থলাভিষিক্ত হয়ে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি হয়েছেন মোহাম্মদ বাকের জোলকাদর। তবে লারিজানির মতো তিনি ক্ষমতার নেপথ্য কারিগর হিসেবে ভূমিকা পালন করবেন, এমনটা মনে করা হচ্ছে না।

